ইসলাম গান শোনার ব্যাপারে যা বলে। জানা থাকলে অত্যন্ত ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ থাকবে সবার।

গান শোনা হারাম।


ইসলামে গান শোনা হারাম ।এটা শুনলে অনেকে ক্ষেপে যায়।কি রে ভাই!!!!! ইসলামে সব হারাম হারাম।
কিন্তু কেন হারাম এটা পড়ার পর কিছুটা বুঝবেন হয়তো।আল্লাহ তো আলীমুল গায়েব♥️তিনি তো জানতেন যে ভবিষ্যতে গানের দ্বারা অনেক মুসলিম শিরক করে বসবে,তাই রাসূল(সা:) হয়তো সতর্ক করেছিলেন।
আর যাই হোক,Post টা পড়ার পর গান বাদ না দিলেও কেউ আর না বুঝে বা যাচাই না করে শুনবেন না।একসময় আমারও গানের নেশা ছিল।সেই আমি ছাড়তে পারলে আপনারা কেন না?
হিন্দি গান শুনার আগে বুঝে নিয়েন একটু কি করছেন🚫🚫
সত্যি আমি আর হিন্দি/ইংলিশ গান শুনি না। চেষ্টা করছি আস্তে আস্তে একদম গান শোনা বন্ধ করে দেওয়ার।

আমরা বাংলাদেশীরা কম-বেশি সবাই হিন্দি গান শুনেছি বা শুনি।অনেকে বুঝে না বুঝে গুনগুনিয়ে সেগুলো গেয়েছিও কতবার। কিন্তু আমরা কি গাইতেছি, বা গান গাইতে গিয়ে নিজের অজান্তে কি উচ্চারণ করতেছি তা জানলে অনেকেই শিউরে উঠবেন।হয়তো আমরা সেইভাবে ভাবিও না এইসব নিয়ে।আমি গুগল থেকে কিছু গানের লিরিক্স সংগ্রহ করে অনুবাদ করেছি সকলের বোঝার সুবিধার্থে।যে গানগুলো গাওয়া আর নিজেকে মুশরিক হিসেবে ঘোষণা দেওয়া একই।
আমি এখানে জাস্ট ৫টি গান দিয়েছি।আরও কত শত গান আছে এমন যা আমরা হয়তো শুনেছি, কিন্তু এইভাবে ভেবে দেখিনি কখনও।

  • Dhvani Bhanushali এর এই গানটা কয়েকদিন আগে সবার মুখে মুখে ছিলোঃ


  • Vaaste Jaan Bhi Du
    Main Gawah Emaan Bhi Du
    Kismato Ka Likha Mod Du
    Badle Mein Main Tere
    Jo Khuda Khud Bhi De
    Jannate Sach Kahu Chhod Du

    অনুবাদ করলে অর্থ অনেকটা এমন দাঁড়ায়ঃ


    {তোমার জন্য জীবনও দিব
    ঈমানও বিসর্জন দিব
    ভাগ্যের লেখাও বদলে দিব
    তোমার বিনিময়ে
    ঈশ্বর নিজেও যা দেন
    সত্যি বলছি (তোমার জন্য)জান্নাতও ছেড়ে দিব}

    নাউজুবিল্লাহ, এই গান যে একবার হলেও গেয়েছে তার তো সাথে সাথে তওবা করা উচিত।জান্নাত পাওয়ার জন্য দুনিয়ায় এসে, কি করে আপনি কাউকে ভালোবেসে জান্নাত ছেড়ে দেওয়ার কথা উচ্চারণ করতে পারেন!

  • Tujh Mein Rab Dikhta Hai, Yaara Mein Kya Karun , Sajde Sar Jhukta Hai, Yaara Mein Kya Karun Rab Ne Bana Di Jodii…
  • অনুবাদ-


    {তোমার মধ্যে রবকে দেখতে পাই , আমার কি করা উচিত!
    সিজদায় মাথা নত হয়, আমার কী করা উচিত!
    রব বানিয়ে দিয়েছেন এমন জুটি……}
    “Rab Ne Bana Di Jodii” শাহরুখ খানের খুব হিট মুভি। তার মেইন গান এটা।
    কষ্টটা তখন লাগে যখন তার মত মুসলিম একজন আর্টিস্টও এইরকম শিরক গানের সাথে হেলে দুলে নাচতে আপত্তি করেন না।

  • অক্ষয় কুমারের কোনো এক মুভির গানঃ

  • Tujhse Mohabbat Ho Gayi, Allah Maaf Kare
    Tauba Qayamat Ho Gayi, Allah Maaf Kare
    Dekha Tujhe Toh Saansein Ruk Gayi
    Sajde Mein Yeh Aankhein Jhuk Gayi
    Teri Ibaadat Ho Gayi, Allah Maaf Kare

    অনুবাদঃ


    {তোমার সাথে ভালোবাসা হয়ে গেছে, আল্লাহ যেন মাফ করে দেন
    তওবা কিয়ামত হয়ে গেছে, আল্লাহ মাফ করেন যেন এইজন্য
    তোমাকে দেখে শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম
    তোমার সেজদায় এই চোখ ঝুকে গেছে
    তোমার ইবাদত হয়ে গেছে আমার দ্বারা , আল্লাহ যেন মাফ করে দেন।}
    আল্লাহ তায়ালাকে ছেড়ে আপনার দৃষ্টি অন্য কারো সিজদাহ করবে,আপনি অন্য কারো ইবাদাত করবেন, আর সেটা তিনি মাফও করে দিবেন, তা কি করে হতে পারে!!

  • “Krish 3” নামক বিখ্যাত মুভির গানের অংশবিশেষঃ
  • God Allah Aur Bhagwan
    Ne Banaya Ek Insaan

    অনুবাদ-


    {ঈশ্বর আল্লাহ অার ভগবান
    মিলে বানিয়েছে এক মানুষ।}
    ঈশ্বর ভগবানের মাঝে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ’লাকে টেনে আনার কি দরকার। এই গানও প্রকাশ্য শিরক।সরাসরি মানুষ সৃষ্টিতে আল্লাহর সাথে ঈশ্বর, ভগবানকে ক্রেডিট দেওয়া তো শিকরই।

  • Sapna Jahan গানের অংশবিশেষঃ
  • Mere Dil Mein Jagah Khuda Ki Khaali Thi…
    Dekha Wahan Pe Aaj Tera Chehra Hai…
    Main Bhatakta Hua Sa Ek Baadal Hoon…
    Jo Tere Aasmaan Pe Aake Thehra Hai…

    অনুবাদ-


    {আমার হৃদয়ের ভিতরে ঈশ্বরের জন্য একটি জায়গা খালি ছিল
    আজ আমি সেখানে তোমার চেহারা দেখতে পাচ্ছি
    আমি ঘোরাঘুরি করা একটা মেঘের মতো
    যা তোমার আকাশে এসে এখনও থেমে আছে।}
    ঈশ্বরের জায়গা খালি থাকে তো নাস্তিকদের। একজন মুসলিমের মুখে এই গান বেমানান।


    শিরক নিয়ে কিছু কথাঃ

    শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবাহান্তায়ালা যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কস্মিনকালে ও ক্ষমা করবেন না।


    আল্লাহ বলেন,

    নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না

    (সুরা নিসা :৪৮,১১৬)

    নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন (সুরা মায়িদাহ:৭২)


    রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,
    “আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সংগে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
    [সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]
    গান নিয়ে কিছু কথাঃ

    গান আমরা শুনি বিনোদনের জন্য,মন ভালো করতে,ডিপ্রেশন দুর করতে।আদতে এই তিনটির কোনো শক্তিই গানের মধ্যে নেই।গান আল্লাহর স্মরণ থেকে মানুষকে উদাসীন,বিমুখ করে রাখে।নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদ্যের আওয়াজ শুনলে কানে আঙুল ঢুকিয়ে রাখতেন।
    শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ্ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘‘গান হচ্ছে অন্তরের মদ।’’ [মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ১০/৪১৭]
    তাঁরই সুযোগ্য ছাত্র হাফিয ইবনুল কায়্যিম রাহিমাহুল্লাহ্ বলেন, ‘‘কোনো বান্দার অন্তরে কোনো অবস্থাতেই গানের মহব্বত এবং কোরআনের মহব্বত একত্র হতে পারে না।’’ [ইগাসাতুল লাহফান]
    ইয়া আল্লাহ আমাদের সকলকে শিরক থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন।কষ্ট করে পড়ার জন্য জাযাকাল্লাহু খইরন।ভূল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    Intuitions (অনুভূতি)

    সৃষ্টিকর্তার দেয়া নাক, কান, চোখ ইত্যাদি অঙ্গ আপনি কেটে নতুনত্ব দিবেন এমনটা কি কখনও ভেবেছেন ?

    সৃষ্টিকর্তার দেয়া নাক, কান, চোখ ইত্যাদি অঙ্গ আপনি কেটে নতুনত্ব দিবেন এমনটা কি কখনও ভেবেছেন ? হয়ত কখনও কল্পনাও করেনননি। কিন্তু পৃথিবীতে অনেক আজব সব ঘটনা ঘটে যা দেখে মাঝেমধ্যে আমাদের শিহরিত হতে হয়। তেমনি এক ঘটনা ঘটিয়েছে জার্মানির ৩৯ বয়সী এক ব্যাক্তি। যার নাম স্যান্ড্রো। ৬০০০ ইউরো বা বাংলাদেশী টাকা ৬ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ করে নিজের কান কেটে নতুনত্ব দেয়ার চেষ্টা করেছে।

    ভাবতেও কি ভয়ানক লাগছে তাই না? আবার ও আগের দিনের হাদীস টি উল্লেখ করতে বাধ্য হচ্ছি।

    অতঃপর আল্লাহ তায়ালা বলেন,
    ইবলিশ শয়তান তখন বলল আমি আদমের সন্তান সমস্ত মানুষকে পথভ্রষ্ট করেই ছাড়ব তাদেরকে আছর করব তাদের মনে আশ্বাস দেব;তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব।এবং আশ্বস্ত আছর দিয়ে আদেশ দিব ফলে এরা পশুর মতোন আকৃতি পাবে অথবা কর্ন ছেদন করবে।

    [ সুরা নিসা ৪:১১৯ ]

    ট্যাটু আর প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে নিজেকে ‘কিম্ভূত কিমাকার’ বানিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি। গত বছর হঠাত্‍ই স্যান্ড্রোর মাথায় চেপেছিল, তাঁর মুখটাকে মানুষের মাথার খুলির মতো করে তুলতে হবে।

    তাই ২০১৯ সালে তিনি দুই কান কেটে ফেলেছিলেন। এছাড়া তার কপাল এবং হাতের পেছনের রয়েছে ইমপ্লান্ট এবং মুখ-ও ট্যাটুতে ছাকা।

    NOTE : সারা পৃথিবীতে এখন এমন আরো হাজার মানুষ আছে যারা এভাবে ইবলিশের আদেশ পালন করছে। আমাদের নিজেদের ভিতরেই খুঁজলে পাওয়া যাবে যারা নিজের খেয়ালে tattoos করেন তাদেরকে প্রকৃতপক্ষে ইবলিশ আশ্বস্ত করতে সক্ষম হয়েছে শয়তান এর আদেশ পালনের জন্য।

    About time dilation/ time travel

    4th Dimension : Time

    Time Dilation. #01

    বিজ্ঞানের সবচেয়ে Interesting বিষয় হলো Time Travel. যেটা মানুষকে কল্পনার সাগরের গভীর থেকে গভীরে নিয়ে যায়। আর আমরা এটা অবশ্যই শুনেছি speed আর gravity এর সাহায্যে future এ আমরা time travel করতে সক্ষম হবো। কিন্তু আপনি কি জানেন এই যাএা কিভাবে সম্ভব হয়? মানে কেন আলো গতির কাছাকাছি ভ্রমণ এবং অতি ভারী বস্তুর gravity সময় কে slow করে দেয় ? আর কেন বিগ ব্যংগ এর পূর্বে সময় ছিলো না?

    Time travel সম্পর্কে বুঝতে হলে সর্বপ্রথম আমাদের সময় সম্পর্কে জানতে হবে। আর আজ আমরা সময় সম্পর্কে জানবো।

    (Know The Mystery of Science )

    আমরা সময়কে বুঝতে পারি তার movement এর কারণে।যখন কোনো একটি বস্তু একটি স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় তখন আমরা বুঝতে পারি কতটা সময় হলো। এখন ঐ বস্তুটি একটি ঘড়ির কাঁটা হতে পারে,চাঁদ হতে পারে,সূর্য হতে পারে,আথবা ব্যাটারি চালিত কোনো ডিজিটাল ঘড়িও হতে পারে (যেখানে তার ব্যাটারির ইলেকট্রন move করছে) তো এই ভাবেই আমরা movement এর আধারে সময় অনুমান করি। এবং আমরা মানুষ এই সমস্ত movement এর হিসেবে একটি particular নাম দিয়েছি। যেমন ঘড়ির হিসেবে এক সেকেন্ড, এক ঘন্টা, এবং সূর্য যখন উদয় হয় তখন এক দিন,আর পৃথিবী যখন সূর্য কে প্রদক্ষিণ করবে তখন এক দিন হবে, এইভাবেই পৃথিবী ও মহাশূন্যের নিয়ন্ত্রণ হয়ে চলা ঘটনাকে অধ্যায়ন করে সময়ের বয়ে চলা গতিকে বোঝার জন্য নিজেদের সুবিধার্তে একটি নির্দিষ্ট গতিকে আমরা সময় হিসেবে নির্ণয় করি। তো এখন আমরা বুঝতে পারলাম সময় কোনো কিছুর movement.

    এই Universe এর সবকিছুই move করছে, তা এক বছরের এক সেকেন্ড এর এক কোটি ভাগের এক ভাগই হোক না কেনো বস্তুটি move হবেই।আর যখন কোনো বস্তু move হয় তখন সে বস্তটি ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে শুরু করে।যখন কোনো ঘড়ি চলে তখন তার ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষয় হতে
    শুরু করে এবং তা পুরনো হতে শুরু করে। ঠিক একইভাবে মানব দেহও move হয় যার ফলে আমাদের বয়স বৃদ্ধি পায়। কিন্তু যদি আমরা এই ঘড়িকে কিংবা আামাদের শরীর কে একই অবস্থানে রাখতে পারি তাহলে আমরা দীর্ঘকাল জীবিত থাকতে পারবো।তো বন্ধুরা আমরা বুঝতেই পারছি universe এ সবকিছুই move করছে, আর প্রতিটি বস্তুর জন্যে সময় এবং movement এর আলাদা আলাদা defination থাকে। আপনি জেনে অবাক হয়ে যাবেন যে time defination আমাদের পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণীর ক্ষেএে বিভিন্ন হয়ে থাকে।যেমন ধরুন, মাছি এর সময় মানুষের সময় থেকে অনেক বেশী fast হয়ে থাকে। আমাদের জীবনের এক ঘন্টা একটি মাছির কাছে এক বছরের মতো সময় হয়ে থাকে। অর্থাৎ আমাদের জীবনের এক ঘন্টার মধ্যেই মাছি তার জীবনের অনেকটা সময় অতিবাহিত করে ফেলে। আর এই জন্যে অর্থাৎ মাছির fast movement এর কারণে আমরা এদের ধরতে পারি না। কারণ আমাদের movement মাছির তুলনায় অনেকটাই slow, আর একটি মাছির জীবনকাল খুব কম। আর এর জন্যে মাছির এটা মনে হতে পারে সময় তার অনুসারে ঠিক গতিতে চলছে। কিন্তু যেটা আমাদের কাছে ভীষনই fast মনে হচ্ছে। অপরদিকে কচ্ছপের movement আমাদের থেকে অনেকটাই slow হয়ে থাকে। এর জন্যেই এরা দুশো থেকে তিনশো বছর পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। অর্থাৎ সময় হলো কোনো বস্তুর movement. সময় যে প্রতিটি বস্তুর movement এর আধারেই হয়ে থাকে তা বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    Time Dilation. #02

    বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের theory of relativity অনুসারে সময় slow অথবা fast হতে পারে, তার মতে সময় 4th Dimension.

    এখন আসুন জানি আলোর কাছাকাছি গতিতে travel করলে সময় কেন থেমে যায়? যেটাকে আমরা Time Dilation বলে থাকি।

    (Know The Mystery of Science)

    –আইনস্টাইনের theory of relativity অনুসারে space এ আমরা যতদ্রুত যাএা করবো, ততই আমাদের জন্যে সময় slow হবে।

    এখন আপনি ধরুন একটি Spacecraft, space এ আলোর 99.99% speed এ ভ্রমণ করছে, এবং ঐখানে একটি ঘড়ি রাখা আছে। এখন যদি আপনি ঐ ঘড়িটির (spacecraft) সাথে পৃথিবীর একটি ঘড়ির তুলনা করেন তাহলে বুঝতে পারবেন
    পৃথিবীর ঘড়ি normal ভাবেই চলছে কিন্তু spacecraft এ থাকা ঐ ঘড়ি খুবই ধীরে চলছে।
    এবং এই spacecraft এ করে যদি কোনো ব্যক্তি দেড় বছর এর জন্যে ভ্রমণ করে আসে তাহলে
    পৃথিবীতে প্রায় একশত বছর হয়ে যাবে।এর মানে ঐ ব্যাক্তি যে সমস্ত পরিচিত ব্যাক্তি কে পৃথিবীতে রেখে গিয়েছিল তা আর বেঁচে থাকবে না। আর এটা হয়ে থাকে time dilation এর জন্যে।

    আসুন, এটা কেন হলো সেটাকে উদাহরণ এর সাহায্যে বোঝার চেষ্টা করি –––

    মনে করুন আমরা দুটি গোলাকার বৃওের বক্স তৈরী করলাম, যার ভেতর দুটি ভীষণই advance ঘড়ি মজুদ আছে। যেখানে আলোর একটি বিন্দু উপর থেকে নিচে move করতে থাকে। আর ঐ আলোর বিন্দুকে বক্স এর নিচে থেকে উপরে গিয়ে আবার নিচে ফিরে আসতে এক সেকেন্ড সময় লাগে।
    এখন একটি বক্সকে আমরা space এ রেখে দিই এবং অপর বক্স টিকে high speed রকেটে রাখি।

    এখন এই experiment এ আমরা পাবো space এ স্থির বক্স এর প্রতিটি সেকেন্ড normal ভাবেই
    যাচ্ছে, কিন্তু high speed এ ভ্রমণ করা ঐ ঘড়িতে এক সেকেন্ড হতে অনেকটাই অধিক সময় লাগছে। কারণ –– যেহেতু রকেটটি আলোর কাছাকাছি গতিতে চলছে সেহেতু ঐখানে থাকা ঘড়ির ভেতরের আলোর বিন্দুটিকে বক্স এর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে এসে পৌঁছাতে অধিক travel করতে হচ্ছে।

    আর আমরা জানি lite এর গতিতে travel করা সম্ভব নয়। কিন্তু তার পরেও যদি lite এর গতিতে travel করা হয় তো সময় সম্পূর্ণ থেমে যাবে।আর ঐ আলোর বিন্দু ঘড়ির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত কখনোই পৌঁছাতে পারবে না। আর আমাদের যে সমস্ত digital ঘড়ি আছে তা ঐ ঘড়ির ব্যাটারিতে মজুদ ইলেকট্রন এর movement এর কারণেই আমাদের সময় কে দেখায়, তাই যদি ঐ ঘড়িকেও liteএর speed এ travel করা roket এ রাখা হয় তো তার (ঘড়ির)
    ভেতরেও ইলেকট্রন এর গতি slow হয়ে যাবে time dilation এর জন্যে। তো আমরা তো এটা বুঝতেই পারছি space এ দ্রুত গতিতে travel করে আমরা time travel করতে পারি।

    Fire service কে কেনো দমকল বলা হয় জানেন কি?

    দমকল নামটা কিভাবে হল জানেন?

    কলকাতার হেদুয়া মোরে অনেকই গেছেন, কিন্তু আমি জানি এই জরাজীর্ণ লোহার বাক্সটা সবাই উপেক্ষা করে গেছেন। কি ভাবছেন? বড্ড বাড়াবাড়ি করছি এই বাক্সটা নিয়ে? হ্যাঁ তা একটু করছি।

    এই বাক্সটা আজকের নয়, প্রায় ২০০ বছর আগেকার। তখন কলকাতায় না ছিল টেলিফোন না মোটরগাড়ি। ফলে কলকাতা শহরে আগুন লাগলে, দমকল বিভাগে খবর যেতে যেতে আর ঘোড়ায় টানা জলের গাড়ি আস্তে আস্তে ৯৫ শতাংশ পুড়ে যেত। তাই জন্য ব্রিটিশ সরকার শহরের মোরে মোরে এই ব্যবস্থা করলেন।

    এই লোহার বাক্সটার ভিতর কাঁচ দিয়ে ঘিরে রাখা হল একটা দম দেওয়া মেশিন। মেশিন এর তার সরাসরি সংযুক্ত করা হল দমকল অফিস এর সাথে, এবং নির্দেশ জারি করা হল কোথাও আগুন লাগলে, নিকটবর্তী মেশিন এর কাঁচ ভেঙে দম মেশিনের হ্যান্ডেল ঘুড়িয়ে ৩-৪ বার দম দিতে হবে। দম দেওয়ার ফলে মেশিন এক সংকেত পাঠাতো দমকল বিভাগে। ফলতঃ দমকল বিভাগ সহজেই সংকেত পর্যবেক্ষণ করে অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হলো।

    এই ব্যবস্থা দীর্ঘ ১০০ বছর লাগু ছিল কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী শহর গুলোতে। ধীরে ধীরে টেলিফোন আর মোটরগাড়ির প্রচলন বাড়লে, এই ব্যবস্থা কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। কিন্তু বলাবাহুল্য, অগ্নিনির্বাপক বিভাগ আজও তার দমকল নামটি জনমানসে সমজ্বল রেখেছে। ভুল করে আপনার ছেলে বা নাতি যদি এই প্রশ্ন করে বসে যে বাবা/মা/দাদু, ফায়ার ব্রিগেড কে আমরা দমকল বলি কেনো? আশা করি উত্তর দিতে অসুবিধা হবে না।

    আপনি কি স্যাপিওসেক্সুয়াল?

    আপনি কি স্যাপিওসেক্সুয়াল?

    মেয়েরা পুরুষদের প্রতি এবং পুরুষেরা মেয়েদের প্রতি ঠিক কোন কোন কারণে আকৃষ্ট হন বলুন তো? সৌন্দর্য, চেহারা থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্ব, যোগ্যতা থেকে শুরু করে সম মানসিকতা বা একই রকম ভাবনাচিন্তা পর্যন্ত নানা কারণ রয়েছে যার জন্য একজন মেয়ে ও একজন পুরুষ পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন। কিন্তু যদি শোনেন কেউ শুধু মাত্র অপরজনের মেধা বা বুদ্ধিমত্তার কারণে তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন? অনেকেরই কথাটা শুনে ‘আঁতলামি’ মনে হতে পারে, কিন্তু এমন মানুষ সত্যিই আছেন! সম্পর্কের জটিল জগতে তাঁদের পরিচয় ‘স্যাপিওসেক্সুয়াল’।

    কাকে বলে ‘স্যাপিওসেক্সুয়াল’?

    মানুষ যখন কারও প্রেমে পড়ে তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই সে চেহারা, বাহ্যিক সৌন্দর্য ইত্যাদি দেখে প্রেমে পড়ে। কিন্তু এমনকিছু মানুষ আছেন যারা চেহারা কিংবা শারীরিক সৌন্দর্য নয়, শুধু বুদ্ধিমত্তা দেখেই প্রেমে পড়েন তারা। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘স্যাপিওসেক্সুয়াল’।স্যাপিওসেক্সুয়ালদের প্রেম ও যৌনতার অনুভূতি আবর্তিত হয় মস্তিষ্ককে ঘিরে। চেহারার কিছু ভূমিকা অবশ্য থাকে, কিন্তু তা নেহাতই সাময়িক। শারীরিক সৌন্দর্য বা সামাজিক অবস্থানের চেয়ে তাঁদের কাছে অনেক বড়ো হয়ে দাঁড়ায় উলটোদিকের মানুষটির বুদ্ধিমত্তা। উলটোদিকের মানুষটির গভীর চিন্তাশক্তি, কৌতূহলী মনোভাব, প্রচলিত ব্যবস্থাকে প্রশ্ন করার মানসিকতা তাঁদের প্রচণ্ড আকৃষ্ট করে। মনস্তাত্ত্বিক, রাজনৈতিক, দার্শনিক আলোচনা থেকে তাঁরা রসদ সংগ্রহ করেন, এবং মনে করেন কারও যৌন আকর্ষণ শরীরে নয়, বরং তাঁর মেধায় লুকিয়ে থাকে।

    কী মনে হচ্ছে এত দূর পড়ে? নিজের সঙ্গে কি মিল পাচ্ছেন কোথাও? তা হলে আর একটু বিশদে পড়ে জেনে নিন স্যাপিওসেক্সুয়ালদের কিছু বৈশিষ্ট্য আর মিলিয়ে নিন নিজের সঙ্গে!

    আপনার পুরোনো সম্পর্কগুলো অঙ্কুরিত হয়েছে বন্ধুত্ব থেকে

    স্যাপিওসেক্সুয়ালেরা কিন্তু চট করে প্রেমে পড়েন না। যেহেতু শারীরিক সৌন্দর্য তাঁদের টানে না, তাই প্রেমে পড়তে তাঁদের সময় লাগে। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আগে বন্ধুত্ব হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানসিক ও বৌদ্ধিক সংযোগ হলে তবেই আসে প্রেমের প্রশ্ন।

    প্রথম ডেটের আলাদা কোনও অর্থ আপনার কাছে নেই

    প্রথম ডেট ঠিকমতো এগোলে অনেকেই মনে মনে পরবর্তী ডেটের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেন। স্যাপিওসেক্সুয়ালেরা কিন্তু ব্যতিক্রম! প্রথম দেখায় যেহেতু খুবই হালকা বিষয় নিয়ে ছোটখাটো কথাবার্তা হয়, তাই প্রথম ডেট তাঁদের কিছুই বলে না। উলটোদিকের মানুষটির কাছ থেকে তাঁরা কোনও ভাবনার রসদ পাচ্ছেন কিনা বোঝার জন্য অন্তত বেশ কয়েকবার দেখা করার প্রয়োজন হয়।

    শারীরিক আকর্ষণ থাকতে পারে, কিন্তু সেটা বড়ো কথা নয়

    মেধা বা বুদ্ধির আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি হলেও শারীরিক আকর্ষণ যে একেবারেই নেই, তা কিন্তু নয়! কিন্তু স্যাপিওদের কাছে শারীরিক আকর্ষণটা খুবই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য কখনওই চেহারাটা বড়ো হয়ে দাঁড়ায় না তাঁদের কাছে।

    কাউকে পছন্দ মানে সত্যিই পছন্দ

    তার একটা কারণ স্যাপিওদের সহজে কাউকে পছন্দ হয় না, অনেকটা সময় লাগে। উলটোদিকের মানুষটার সঙ্গে মেধা ও বৌদ্ধিকভাবে সংযোগ স্থাপনের পরই আসে তাঁকে ভালো লাগার প্রশ্ন। ফলে যখন কাউকে তাঁদের ভালো লাগে, তখন সেটা বেশ সিরিয়াসই হয়!

    আপনার বন্ধুত্বে জটিলতা আসা অসম্ভব নয়

    স্যাপিওসেক্সুয়ালদের সব সম্পর্কই শুরু হয় বন্ধুত্ব দিয়ে, সেখানে প্রেমের ছিটেফোঁটাও থাকে না। তাই যখন আপনার মনে প্লেটোনিক স্তর পেরিয়ে প্রেমের সূত্রপাত হয়, তখন আপনার বন্ধুও একইরকম ভাবছেন কিনা, সে বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। ফলে বন্ধুকে মনের কথা বলবেন কি বলবেন না, তা নিয়ে আপনার মনে সংশয় তৈরি হয়, বন্ধু যদি একইরকম না ভাবেন তা হলে বন্ধুবিচ্ছেদ হওয়াও অসম্ভব নয়!

    আত্মম্ভরিতা বা বোকামি আপনি সহ্য করতে পারেন না

    অতিরিক্ত চিৎকার করে, মেজাজ দেখিয়ে যাঁরা নিজেদের মত প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন, তাঁরা স্যাপিওদের দু’চক্ষের বিষ। একইভাবে বোকামিও বিলকুল অপছন্দ তাঁদের। যাঁরা নিজেদের অনুভূতিকে যুক্তির সাহায্যে ব্যাখ্যা করতে পারেন, যাঁরা চট করে মেজাজ হারান না, জটিল পরিস্থিতিকেও শান্তভাবে সমাধান করার চেষ্টা করেন, সেরকম পুরুষকেই পছন্দ করেন স্যাপিও মেয়েরা।

    লোকে আপনাকে অহঙ্কারী ভাবে

    খুব বেশি মানুষের সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতা হয় না সচরাচর। প্রেমের সংখ্যাও আপনার খুবই কম। সাধারণত নিজের ছোট বৃত্তেই থাকতে পছন্দ করেন আপনি। তাই আশপাশের অনেকেই আপনাকে অহঙ্কারী বলে ভুল করেন। তাতে আপনার মোটেই বিচলিত হওয়ার কারণ নেই, নিজের পছন্দ আর ধ্যানধারণায় স্থির থাকুন।

    ব্যাক্তিগত মতামত :
    বলার অনেক কিছু আছে কিন্তু ভাষা পাচ্ছি না 😑 । অনেকক্ষণ ধরে কিবোর্ড ওন করে বসে থাকলাম কথা গুলো সাজিয়ে বলার জন্য কিন্তু না তাও হল না। থাক আজ। তবে হ্যাঁ এই ধরণের মানুষ গুলো তাদের জীবনের এত্ত এত্ত মানুষ এর মাঝে যে একজনের প্রেমে পড়তেছে বুঝতে হবে সেই একজন আসলেও অনেক বুদ্ধিমান ও ব্যতিক্রম চিন্তা শক্তির অধিকারী 😝।
    আর এই ধরণের মানুষ তাদের জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে গভীর ভাবে মূল্যায়ন করে আর তাই তারা যেকোনো ব্যাপারে অন্য সবার থেকে সূক্ষ্ম ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে জীবনের সকল অতীতের শিক্ষার ভিত্তিতে।